ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩rd অক্টোবর ২০১৭

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এম.পি এর জীবন বৃত্তান্তঃ

 

 

নামঃ এ্যাডভোকেট তারানা হালিম, এম.পি.

তারানা হালিম ১৯৬৬ সালে ১৬ আগষ্ট চট্টগ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

 

পিতার নামঃ মরহুম মোঃ আব্দুল হালিম। তিনি প্রাথমিক অবস্থায় আয়কর কমিশনার ও পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ছিলেন।

 

মাতার নামঃ মরহুম আখতার হালিম। তিনি একজন শিক্ষিকা ছিলেন।

 

তারানা হালিম দুই পুত্র সন্তানের জননী।

 

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ

১৯৮২ সালে আজিমপুর অগ্রণী বালিকা বিদ্যালয় থেকে তিনি প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক এবং হলিক্রস কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে প্রথম বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক উভয় পরীক্ষাতেই ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় নবম স্থান অধিকার করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ হতে যথাক্রমে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করেন।

 

বিভিন্ন পদসমূহঃ

১। তিনি একটি নন-ব্যাংকিং ফাইনান্সিয়াল ইন্সিটিটিউশনের আইন উপদেষ্টা ছিলেন।

২। তিনি একজন কোম্পানী, পারিবারিক ও দেওয়ানী আইন বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করেছেন।

৩। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নকালে যুবলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে একই সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

৪। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নির্বাচিত হন। নবম জাতীয় সংসদে তিনি ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’  সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৫। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ‘তথ্য মন্ত্রণালয়’ সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৬। তিনি ১৪/০৭/২০১৫ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। মানানীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্ব অর্পণ করেন।

 

 

প্রাক্তন সদস্য পদসমূহঃ

১। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য।

২। মাদক নিয়ন্ত্রক বোর্ডের সদস্য।

৩। জাতীয় অটিজম এসোসিয়েশনের সদস্য।

৪। অক্সফামের অধীনে জলবায়ু পরিবর্তনের উপর ছায়া ট্রাইব্যুনালের জুরি সদস্য।

 

বর্তমান সদস্য পদসমূহঃ

১। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘নারী ও শিশু উন্নয়ন’ কমিটির একজন সদস্য।

২। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার রক্ষা জেলা কমিটির সদস্য।

৩। ফিল্ম সেন্সর আপিল বোর্ডের সদস্য।

৪। জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্য।

৫। বার এসোসিয়েশনের সদস্য।

৬। মাদক নিয়ন্ত্রণ জাতীয় কমিটির সদস্য।

 

উপদেষ্টা পদসমূহঃ

১। ব্যবসায়ি উদ্যোক্তাদের প্রারম্ভিক উদ্যোগ সমূহের আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২। ‘ব্র্যাক’ এর শিক্ষা উদ্যোগ কার্যক্রমে পাঠ্যক্রম সমূহের আইন উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

মানবাধিকার কর্মীঃ

১। ‘সহিংসতা প্রতিরোধ’ এবং ‘অভিবাসী শ্রমিকদের নিরাপদ অভিবাসন’ আইন এর সফল প্রণয়নের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

২। তিনি গার্হস্থ্য সহিংসতার বিরুদ্ধে “পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন এবং “ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার” প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখেন সংসদের ভিতরে ও বাহিরে।

৩। সব সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে  “খাদ্য বিতরণ কর্মসূচী” (Feeding Program) ধারণা তিনি প্রথম সংসদে তুলে ধরেন।

৪। হিজড়াদের  “তৃতীয় লিঙ্গ” হিসেবে স্বীকৃতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৫। বর্তমানে “সড়ক নিরাপত্তা” আইন, এসিড ভিকটিম এবং এইচ আই ভি/এইডস ভিকটিমদের অধিকার সুরক্ষায় তার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

৬। “শিল্প পুলিশ বাহিনী” প্রতিষ্ঠার বিষয়টি তিনি সংসদে উপস্থাপন করেন।

 

 

সফল এবং বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে বেগম তারানা হালিমের উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক স্বীকৃতি ও পুরস্কার সমূহঃ

১। সাংগঠনিক কাজে সেরা অবদানের জন্য তিনি “বঙ্গবন্ধু গোল্ড মেডেল পুরস্কার -২০০৮” এ ভূষিত হয়েছেন।

২। সামাজিক কর্মকান্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও অবদান বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সংগঠক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার কর্মী অ্যাওয়ার্ড -২০০৯।

৩। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস এসোসিয়েশন কর্তৃক প্রদত্ত মানবাধিকার পুরস্কার -২০০৬ এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত লাইফ টাইম অ্যচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড দ্বারা স্কীকৃত।

 

 

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অবদানঃ

১। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিশেষ আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন, জ্যাকসন ভিল, নিউ ওরালিন্স, মন্টানায়, “সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারী” শীর্ষক লিডারশীপ প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ করেন।

২। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত টিম এর সদস্য হিসেবে তিনি লন্ডনের “হাউজ অব লর্ডস” এর সদস্যদের সাথে সংলাপে তিনবার অংশ গ্রহণ করেন ও সরকারের বক্তব্য তুলে ধরেন।

৩। তিনি ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত মিলেনিয়াম ডেভলভমেন্ট গোল - ২০১৫ কনফারেন্স শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাতের জন্য নির্বাচিত মূল দলের সদস্য ছিলেন।

৪। তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে “২০০০ মিলেনিয়াম সেশন”  এ অংশগ্রহণ করেন।

৫। জার্মানীর বার্লিনে “নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাঃ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ” বিষয়ক সেমিনার।

৬। ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত “নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতাঃ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ” বিষয়ক সেমিনার।

৭। ঢাকায় “আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বিষয়ক সম্মেলন”।

৮। নেপালের কাঠমন্ডুতে সংসদ সদস্য ও সিএ সদস্যদের সভায় মূল বক্তা।

৯। বাংলাদেশ সংসদে অবস্থিত আইপিডিসিতে  জাতিসংঘের  এইডস বিষয়ক সম্মেলনে প্রধান বক্তা।

১০। নুসা, UN AIDS, স্টেপ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট কর্তৃক আয়োজিত - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত ৫টি  ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে “এইচআইভি এইডস এবং ভুল ধারণা, এইচআইভি এইডস এবং আইন” বিষয়ক আলোচনার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক।

১১। UN WOMEN কর্তৃক বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের জন্য “CEDAW প্রেক্ষিত বাংলাদেশ” এবং “নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন” বিষয়ক ওরিয়েন্টশন প্রোগ্রামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন।

১২। বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে  “নারী সমতা ও নারী ক্ষমতায়ন” বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি বক্তা।

১৩। তিনি নেপালের কাঠমন্ডুতে অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে যুব উন্নয়ন” বিষয়ক সেমিনারের সেশন প্যানেলিস্ট ছিলেন।

১৪। গ্লোবাল ফাও কর্তৃক আয়োজিত কনফারেন্সে বাংলাদেশের আমন্ত্রিত সংসদ সদস্য হিসেবে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে মত বিনিময় করেন।

১৫। UN AIDS সহ বিভিন্ন UN সংস্থা HIV/AIDS বিষয়ক সফল সচেতনতা সৃষ্টির জন্য তাকে “Champion MP”  খেতাবে ভূষিত করেছেন।

 

 


Share with :
Facebook Facebook